ছবি: সংগৃহীত

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম।

তিনি জানান, বিমানবন্দরের ডিপার্চার (বহির্গমন) এলাকায় মোট ১২টি এবং অ্যারাইভাল (আগমনী) এলাকায় তিনটি ই-গেট স্থাপন করা হয়েছে। রোব ও সোমবার পরীক্ষামূলকভাবে এ গেট ব্যবহার করা হয়েছিল।

এতে দেখা গেছে- মাত্র ১৮ সেকেন্ডেই একজন যাত্রী নিজের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারছেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, সোমবার পরীক্ষামূলকভাবে কিছু যাত্রীকে ই-গেটের মাধ্যমে সফলভাবে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করা হয়। মঙ্গলবার যাত্রীদের জন্য পুরোপুরি ই-গেট চালুর ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ১৮ সেকেন্ডে ই-পাসপোর্টধারী যাত্রী ভেরিফিকেশন শেষে ই-গেট অতিক্রম করতে পারেন।

ই-গেট (স্বয়ংক্রিয় বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা) কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন- পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, এবং ই-পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাদাত। তাদের সামনে ই-গেটের মাধ্যমে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। দেশে এ প্রথম ই-গেট চালুর স্বীকৃতি পেল।

এর আগে, দেশে ২০১৯ সালে বিমানবন্দরে ই-গেট স্থাপন করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে তা চালু করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ কয়েকবার ই-গেট চালুর তাগিদ দিয়েছিলেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর এবং ইমিগ্রেশন পুলিশ।