প্রতীকী ছবি

শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন। 

শনিবার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিন রিমান্ড শেষে শিক্ষক রোকনুজ্জামান খানকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়ায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রামপুরা থানার এসআই তওফিকা ইয়াসমিন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

এর আগে, ২৭ জুন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আসামির পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির দুদিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। 

তারও আগে, ৮ জুন শিক্ষক রোকনুজ্জামান খান এক শিক্ষার্থীকে ভয় দেখিয়ে স্কুলের টয়লেটে বলাৎকার করেন। এ অভিযোগে গত ২২ জুন রামপুরা থানায় মামলা করেন ঐ শিক্ষার্থীর বাবা। মামলার পর তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি ঢাকায় মেসে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি স্কুলের বিভিন্ন ছাত্রদের যৌন হয়রানি করতেন। পরবর্তীতে তিনি ভিকটিমকে ভয় দেখিয়ে বলাৎকার করেন। স্কুলের অন্য ছাত্রদেরও বলাৎকার করেছেন বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।