দর্পণ ডেস্ক : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ রক্ষায় আগামী ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে সকল প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। রোববার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
এ প্রসঙ্গে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘দেশের অর্থনীতির জন্য, মানুষের পুষ্টি বৃদ্ধির জন্য এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে হবে। মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের ক্ষেত্রকে সমৃদ্ধ করতে না পারলে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও সংকট থেকে যেতে পারে।’
মাছ ধরা নিষিদ্ধ নিষিদ্ধকালীন সময় জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মৎস্য আহরণে বিরত থাকা জেলেদের আমরা মাসিক ৪০ কেজি হারে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছি। মৎস্যজীবীদের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির খাতটি অনেক উন্নতি ঘটেছে। খাদ্য সহায়তায় পরিবহন খরচ ছিল না। এখন পরিবহন খরচ সরকারের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে পৌঁছানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘মাছকে বেড়ে উঠতে দেয়া এবং অবৈধভাবে মাছ আহরণ করতে না দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত আমরা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও পরিষ্কারভাবে বলবো, আপনারা কঠোর অবস্থান নেবেন। কাউকে আইনের বাইরে কোনো কিছু করতে দেবেন না। সেক্ষেত্রে যেকোনও চাপ আমরা মোকাবিলা করবো।’