বুয়েট শিক্ষার্থী সানি। ছবি: সংগৃহীতত

পদ্মা নদীর মৈনট ঘাট এলাকা থেকে বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির (২৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় ১৫ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। তারিকুজ্জামান সানি সাঁতার জানতো না বলে সেই আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা শামছুল আলম উল্লেখ করেন, বাদীর ছোট তারিকুজ্জামান সানি সাঁতার জানতো না। গত ১৪ জুলাই সানিকে কৌশলে আসামিরা পদ্মা নদীর মৈনট ঘাটে ঘুরতে নিয়ে যায়। সেখানে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সানিকে পদ্মা নদীর পানিতে ফেলে হত্যা করে। 

আসামিরা হলেন- শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, মো. রুবেল, মো. সজীব, মো. নুরুজ্জামান, মো. নাসির, মো. মারুফ, মো. আশরাফুল আলম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, মো. নোমান, মো. জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মো. মারুফুল হক ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। 

গত ১৪ জুলাই একসঙ্গে ১৫/১৬ যুবক পদ্মা নদীতে ঘুরতে যায়। সন্ধ্যার পর সানি নামে ঐ বুয়েট শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়। রাতেই স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোহার থানা-পুলিশ। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। 

শুক্রবার সকালে সানির মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে ঐ বুয়েট শিক্ষার্থীর মরদেহ তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান ১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।