সীতাকুণ্ড থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, নতুনভাবে শনাক্ত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই শ্রমিক। তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
গত ৪ জুন রাতে বি এম ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড হয়। এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৫১ জন। সর্বশেষ গতকাল বুধবার ডিপো থেকে একজনের দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। আগুনে আহত হন আরো দেড় শতাধিক। তাদের মধ্যে সাতজন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
নতুন শনাক্ত হওয়া আটজনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩৭ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। আরও ১৪টি মরদেহ এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পর্যায়ক্রমে তাদেরও শনাক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপ–সহকারী পরিদর্শক আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্বজনেরা অনেকে চলে এসেছেন। রাতেই লাশ দিয়ে দেওয়া হবে।
এর আগে বি এম ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের পর উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে ২৯টির পরিচয় পাওয়া যায়। ওই মরদেহগুলো তখন পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।