গল-এর স্পিন টার্নিং উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার নাথান লায়নের ৯ উইকেট শিকারের ম্যাচে হতাশাজনক ব্যাটিং ছিলো শ্রীলংকার। এ ম্যাচে শ্রীলংকার পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৮ রান ছিলো উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নিরোশান ডিকবেলার।
এ বছর ইংল্যান্ডের কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হলে গত এপ্রিলে শ্রীলংকার দায়িত্ব নেন সিলভারউড। তিনি জানান, গল টেস্টে প্রতিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি তার দল।
সিলভারউড বলেন, ‘আমরা প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে ব্যর্থ হয়েছি। আমরা ব্যাট হাতে ৫০ রান কম করেছি এবং আরো ৫০ রান বেশি দিয়েছি। এসব থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া দরকার।’
অস্ট্রেলিয়ার উসমান খাজা ৭১, ক্যামেরন গ্রিন ৭৭ এবং উইকেটরক্ষক-ব্যাটার অ্যালেক্স ক্যারি ৪৫ রান করে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার রান ৩২১-এ নিয়ে যান। যেখানে প্রথম ইনিংসে শ্রীলংকার সংগ্রহ ছিল ২১২ রান।
সফরকারী ব্যাটাররা শুধুমাত্র সুইপ বা রিভার্স-সুইপেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, টার্নিং উইকেটে দ্রুত রান পেতে প্রতিপক্ষের স্পিনারদের বিপক্ষে নিজেদের পা’ও ব্যবহার করেছেন বলে মনে করেন সিলভারউড।
সিলভারউড বলেন, ‘আমরা দেখেছি ভালোভাবে সুইপ শট ব্যবহার করেছে অস্ট্রেলিয়া। টার্নিং উইকেটে আমাদের এমন করতে হবে। কিভাবে সুইপ করতে হয় রুট আমাদের তা দেখিয়েছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সেটি ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা মৌসুম। আমরা ইতোমধ্যেই ড্রেসিংরুমে এটা নিয়ে কথাও বলেছি। এই মুহূর্তে আমাদের আত্মবিশ্বাস নেই।’
দ্বিতীয় ইনিংসে মারমুখী হবার চেষ্টা করেছিলেন শ্রীলংকার অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ককে প্রথম ওভারে পরপর তিনটি বাউন্ডারি মেরেছেন। কিন্তু লায়ন ও হেডের বোলিং তোপে ভেঙ্গে পড়ে শ্রীলংকা।
ম্যাচের পর ব্যাটারদের হতাশাজনক ব্যাটিংয়ের কথা স্বীকার করেন সিলভারউড। করুণারত্নে বলেন, ‘আমি মনে করি প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতে ব্যাটিং ইউনিট হিসাবে আমাদের ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন এবং ভাল স্কোর করা দরকার।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা নিজেদের কন্ডিশনে খেলছি, আমরা জানি কিভাবে টার্ন খেলতে হয়, কিন্তু আমাদের নেয়া সিদ্ধান্তগুলো ভুল ছিল।’
গল-এ আগামী ৮ জুলাই থেকে শুরু হবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।