– পরিমল হাওলাদার
সে নারী, তার থাকবে
একশটা হৃদপিন্ড।
অলিন্দ নিলয়ে রক্ত কনিকা
টগবগিয়ে নাচবে।
তার বয়স শিকলে বাঁধা
আঠারো বাইশ।
শৈশব কৈশোর যৌবন সব একাকার হয়ে
সবটাই যৌবন।
ঠোঁটে হাসি লেগে থাকবে
ঘোর অমানিশায়ও।
অব্যক্ত যন্ত্রণা বলে তার কিছু থাকবেনা
সবটাতেই আনন্দ।
তার গর্ভ প্রতি সালে নতুনের কাছে
থাকবে বন্ধক।
একটু একঘেয়েমি, একটু বোরিং কাটাতে
সে-ই একমাত্র।
বাক্যবানে জর্জরিত হয়েও
থাকবে নিশ্চুপ।
ভ্রুন হত্যা হবে তার অমতে গন্ডায় গন্ডায়
তবুও চিরকুমারী।
রক্তাক্ত হবে দেহে মনে
তবুও চিরসবুজ।
দাঁত আর নখের আঁচরে ক্ষতবিক্ষত মায়াবী মুখটায়
পুরু মেকাপ।
তার বুকভরা কান্না আর দীর্ঘশ্বাস
চির কবর।
সে মেয়ে, শত উপহার তাকে
লোলুপ চোখে।
শেষরাতে শুয়োরগুলো ঘুমালে
বালিশে কাঁদবে।
এ বিধান বহমান একইভাবে
আজও সমাজে।
এ সমাজের
বিবর্তন কবে?
নারীর
মুক্তি তবে।