President of the Arab Fashion Council in Saudi Arabia Princess Noura bint Faisal Al-Saud works at her office in the Saudi capital Riyadh on April 19, 2018. The princess inspired by her time living in Tokyo is the new face of fashion in an ultraconservative kingdom, where dramatic reforms have sparked equal parts optimism and scepticism. / AFP PHOTO / FAYEZ NURELDINE

অনলাইন ডেস্ক :

গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে আগেই হাত পড়েছে তার। পা পড়েছে সিনেমা হলে। পরিবর্তনে সৌদি আরবে এবার আরও এক বদল আনলেন রাজকন্যা নৌরা বিনতে ফয়জ়ল আল-সৌদ।

চলতি মাসের গোড়ায় দেশটিতে আয়োজন করা হয়েছিল একটি ফ্যাশন উইকের। যেটি শুধু নারীদের জন্য।

সৌদি আরবের মতো রক্ষণশীল দেশে এ ধরনের কোনো অনুষ্ঠান এই প্রথম। তবে র‌্যাম্পে হেঁটেছেন মূলত বিদেশি মডেলরাই।

সৌদি মেয়েরা ছিলেন দর্শকের আসনে। উদ্যোগের পেছনে ছিলেন রাজকুমারী নৌরাই। সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠাতার প্রপৌত্রী তিনি।

দেশে মহিলাদের পোশাক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় উৎসাহ দেয়ার বিষয়টি এর আগে কখনই সেভাবে গুরুত্ব পায়নি।

কিন্তু নৌরা আরব ফ্যাশন কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট পদে আসার পর ছবিটা বদলাচ্ছে। জাপানের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেছেন রাজকুমারী। সেখানে থাকার সময় থেকেই ফ্যাশন দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি।

সৌদির রক্ষণশীল সমাজে নারীদের পোশাক বিধি নিয়ন্ত্রণ করে শুধু পুলিশ ও বিচার বিভাগ।

তবে এই বদলকে রক্ষণশীলতার বিরোধিতা হিসেবে মানতে নারাজ তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে নৌরা বলেন, একজন সৌদি নাগরিক হিসেবে আমি আমার সংস্কৃতি ও ধর্মকে সম্মান করি।

যদিও দেশের নারীরা আদৌ অবয়া পরবেন কিনা, তা তাদের একান্ত ব্যক্তিগত পছন্দের ওপরেই নির্ভর করবে বলে কিছু দিন আগেই জানিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

তার আমলেই মেয়েদের গাড়ি চালানোয় অনুমতি দেয়া থেকে শুরু করে সিনেমা হলে প্রবেশের অনুমতি পর্যন্ত মিলেছে। তবে নৌরার আয়োজিত ফ্যাশন উইকে শুধু মহিলাদেরই প্রবেশাধিকার ছিল। ক্যামেরাতেও ছিল নিষেধাজ্ঞা।

তাই নানা মহল থেকে প্রশংসা কুড়ালেও সমালোচনাও পিছু ছাড়েনি এ উদ্যোগের। নিন্দুকরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুললে জবাবে নৌরা বলেন, রক্ষণশীল হওয়ার জন্য নয়, বরং নারীরা যাতে স্বচ্ছন্দে শোগুলো উপভোগ করতে পারেন, তার জন্যই এ ব্যবস্থা।