শেরিল স্যান্ডবার্গ। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন থেকে আসা আয় কমছে এবং টিকটকের সঙ্গে প্রতিযোগিতা তীব্র হচ্ছে। স্যান্ডবার্গের পদত্যাগের ঘোষণার পর মেটার শেয়ারদর চার শতাংশ কমে যায়।

চাকরি ছাড়লেও পরিচালনা পর্ষদের পদ এখনই ছাড়ছেন না স্যান্ডবার্গ। পদত্যাগের বিষয়ে লেখা পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি যখন ২০০৮ সালে এই কাজে যোগদান করি তখন ভেবেছিলাম এখানে পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবো। আজ চৌদ্দ বছর পর জীবনের নতুন অধ্যায় লেখার সময় হয়েছে আমার।’

স্যান্ডবার্গ যখন ফেসবুকে যোগ দেন তখন এটি ছিল মার্ক জাকারবার্গের নের্তৃত্বে থাকা ছোট্ট একটি কোম্পানি। তখন জাকারবার্গ ছিলেন হার্ভাড থেকে ঝরে পড়া মাত্র ২৩ বছর বয়সী তরুণ। গুগলের সাবেক কর্মকর্তা স্যান্ডবার্গ ফেসবুকের বিজ্ঞাপন ব্যবসাকে বিশাল মুনাফার পাওয়ারহাউজে রূপান্তরিত করেন। ধীরে ধীরে কোম্পানিটি ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ম্যাসেঞ্জারের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো যুক্ত করেন।

তবে ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ফেসবুকের ভূমিকা এবং ২০১৮ সালে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালেটিকা কেলেঙ্কারিতে ফেসবুকের নাম ওঠার পর স্যান্ডবার্গের আকাশসম জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়তে থাকে।

এ বিষয়ে পদত্যাগ নিয়ে লেখা পোস্টে তিনি স্যান্ডবার্গ লিখেছেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে উঠা বিতর্কের ধরণ পরিবর্তিত হয়েছে। বিষয়টি বোঝার জন্য সবসময় সহজ ছিল না। যে পণ্য আমরা তৈরি করেছি তার প্রচুর প্রভাব রয়েছে। তাই গোপনীয়তা রক্ষা করে এবং ব্যবহারকারীদের নিরাপদে রাখে এমনভাবেই এগুলো তৈরি করতে হবে।’

মেটার প্রবৃদ্ধি বিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা জাভিয়ার ওলিভান সিওও পদে আসবেন বলে শোনা যাচ্ছে। এদিকে স্যান্ডবার্গ জানিয়েছেন পদত্যাগের পর নিজ প্রতিষ্ঠান এবং দাতব্য কাজ এগিয়ে নিতে আরো সময় দেবেন।