মরদেহগুলো এক এক করে জানাজার জন্য আনা হলে কফিনগুলো ঘিরে কান্নার রোল পড়ে। স্বজনদের গগণবিদারী চিৎকারে জানাজায় অংশ নিতে আসা কেউ কান্না চেপে রাখতে পারেননি। সবার চোখ বেয়ে নেমে আসে অশ্রুধারা।
পরে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছাড়াও সব শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেয়। জানাজা শেষে তাদের নিজ নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্ণা এলাকায় মহানগর প্রভাতী ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হন। তাদের ১০ জনই হাটহাজারীর জুগিরহাট আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টারের ছাত্র-শিক্ষক। অন্যজন মাইক্রোবাসটির চালক।
নিহতরা হলেন হাটহাজারি উপজেলার আজিম সাব রেজিস্ট্রার বাড়ির হাজি মো. ইউসুফের ছেলে মাইক্রোচালক গোলাম মোস্তফা নিরু (২৬), চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ইলিয়াছ ভুট্টোর ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১৭), একই ইউনিয়নের খোন্দকার পাড়ার আবদুল হামিদের ছেলে জিয়াউল হক সজীব (২২), ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আজিজ মেম্বার বাড়ির জানে আলমের ছেলে ওয়াহিদুল আলম জিসান (২৩), মজিদ আব্বাস চৌধুরী বাড়ির বাদশা চৌধুরীর ছেলে শিক্ষক রিদুয়ান চৌধুরী (২২), পারভেজের ছেলে সাগর (১৭) ও একই এলাকার আবদুল ওয়াদুদ মাস্টার বাড়ির আবদুল মাবুদের ছেলে ইকবাল হোসেন মারুফ (১৭), ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোজাফফর আহমেদের ছেলে মোসহাব আহমেদ হিসাম (১৬), আব্দুল আজিজ বাড়ির মৃত পারভেজের ছেলে তাসমির হাসান (১৭), মনসুর আলমের ছেলে মো. মাহিম (১৭) এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবু মুসা খানের বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে মোস্তফা মাসুদ রাকিব (১৯)।