অনলাইন ডেস্ক : হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের উজ্জলপুর গ্রামে চাঞ্চল্যকর হাবিব হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। প্রেমিকার সঙ্গে অনৈতিক কাজ দেখে ফেলায় হাবিবকে খুন করে সোহাগ মিয়া (২২)।
বুধবার নিজের দায় স্বীকার করে হবিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে হাবিব। এদিন সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বিচারকের খাস কামরায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
হবিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ আলম বলেন, সোহাগ মিয়া বাঘাসুরা ইউনিয়নের উজ্জলপুর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে। তার প্রেমিকার সঙ্গে গোপনে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হলে উজ্জলপুর গ্রামের তাউস মিয়ার ছেলে নিহত হাবিব দেখে ফেলে। পরে বিষয়টি গ্রামবাসীকে জানিয়ে দেয়।
এতে সোহাগ মিয়া গ্রামবাসীর তোপের মুখে পড়ে। এ ঘটনায় হাবিবের প্রতি ভীষণ ক্ষুব্ধ হয় সোহাগ। এর জের ধরে সোহাগ কয়েকজনকে নিয়ে হাবিবকে খুন করার পরিকল্পনা করে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী সহযোগীদের নিয়ে ২০১৭ সালের ৩১ আগস্ট হাবিবকে খুন করে কালিকাপুর হাওরে মাটির নিচে পুঁতে রাখেন। এ ঘটনায় নিহত হাবিবের মা জাহেদা বেগম বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলা হওয়ার পর থানা পুলিশ মামলার রহস্য উন্মোচন এবং ঘাতকদের শনাক্ত করতে ব্যর্থ হলে মামলাটি ডিবি পুলিশের ওপর ন্যস্ত হয়। ডিবি পুলিশ তদন্ত করে গত মঙ্গলবার শাহজীবাজার দরগাগেইট এলাকা থেকে ঘাতক সোহেলকে গ্রেফতার করে। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে। সোহাগ এখন কারাগারে রয়েছেন।