ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও অমাবশ্যার প্রভাবে সাগর ও নদীতে পানি ৩ ফুট বেড়েছে। এতে পটুয়াখালী জেলায় এ পর্যন্ত অর্ধশত গ্রাম প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে, কলাপাড়ার এক ইউনিয়নের ১৭টি গ্রাম ও রাঙ্গাবালীর আটটি গ্রাম, পটুয়াখালী সদরের কমলাপুর ইউনিয়নে দুইটি, ইটবাড়িয়া তিনটি, জৈনকাঠী একটি, ছোট বিঘাই একটি প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও গলাচিপা, মির্জাগঞ্জ, দশমিনা ও বাউফল উপজেলাও কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে জানা যায়।

কলাপাড়ায় সাধারণ মানুষকে সাইক্লোন শেল্টারে আসার প্রচারণা কাজ চালাতে গিয়ে নৌকা ডুবে ‍ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) টিম লিডার সৈয়দ শাহআলম (৬০) নিখোঁজ হয়েছেন। বুধবার (২০ মে) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহীদুল হক জানান, খবর পেয়ে তিনি সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে চলে আসেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আসার পর উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।

এছাড়াও কোস্টগার্ডকে কল করা হয়েছে, তারাও আসছেন। তবে ধারণা করা হচ্ছে শাহআলম দুর্যোগ প্রচারণার পোশাক পরা থাকায় কচুরিপানা নিচে আটকে গেছেন।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে পায়রা সমুদ্র বন্দর ও পটুয়াখালী জেলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ।

রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসফাকুর রহমান জানান, ৭৪০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষের খাওয়ার জন্য শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া যারা রোজা আছেন তাদের ইফতারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।