ছবি: সংগৃহীত

রোববার রাতে জায়েদ খানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির (বিএফডিসি) সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বরাবর লিখিত অভিযোগে এসব অভিযোগ করেন ওমর সানী। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জায়েদ খান।

জায়েদ খান বলেন, আমি মৌসুমী আপাকে হয়রানি ও বিরক্ত করেছি এটা তো আপাকে বলতে হবে, ওমর সানি ভাই বলতে তো হবে না। উনি ছাড়া আর কেউ অভিযোগ করলে তো হবে না।

তিনি বলেন, এসব পুরোপুরি মিথ্য। সানি ভাই কেন এসব করছেন আমি বুঝছি না। আপনারা মৌসুমী আপার কাছে জানতে চান আমি উনার অসম্মান হয় এমন কোন কাজ করেছি কিনা।

মৌসুমী আপা একই অভিযোগ করলে সাজা মাথা পেতে নেবেন বলে জানিয়ে জায়েদ খান বলেন, আপা যদি একই অভিযোগ করে, আমি যেকোনো সাজা মাথা পেতে নেব। আপনারা আপার সঙ্গে যোগাযোগ করে তার বক্তব্য নেন…, আমি কীভাবে উনাকে বিরক্ত করেছি। আপাকে শুধুই সম্মান করা যায়, উনি আমাদের দেশের গর্ব। আমি শিল্পী মানুষ উনাকে কেন বিরক্ত করবো।

শিল্পী সমিতির গত নির্বাচনেও জায়েদ খানের সঙ্গে গলায় গলায় সম্পর্ক ছিল ওমর সানী ও তার স্ত্রী নায়িকা মৌসুমীর। জায়েদের প্যানেল থেকেই কার্যকরী পরিষদ হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন মৌসুমী এবং জয়লাভও করেছিলেন। কিছুদিন আগেও সানী-মৌসুমীর বাসায় নিজ প্যানেলের অন্য সদস্যদের নিয়ে এক টেবিলে বসে খেয়েছিলেন জায়েদ।

গত শুক্রবার রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে অভিনেতা ডিপজলের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে আপত্তিকর ঘটনা ঘটে। জানা যায়, জায়েদ খানের ওপর আগে থেকেই ক্ষুব্ধ ছিলেন ওমর সানী। তিনি মনে মনে জায়েদকে খুঁজছিলেন। ডিপজলের ছেলের বিয়েতে তাকে পাবেন, এটা জেনেই সেখানে যান সানী। সেখানে জায়েদকে দেখেই তিনি এগিয়ে যান এবং সজোরে চড় মারেন।

ওমর সানী বলেন, বেয়াদবির একটা সীমা আছে। ও (জায়েদ) ইন্ডাস্ট্রিতে থেকে সবার সঙ্গে বেয়াদবি করবে, সব মেয়ে মানুষের সঙ্গে বিকৃত আচরণ করবে, এসবের একটা সীমারেখা আছে। সে মৌসুমীর সঙ্গে বেয়াদবি করার চেষ্টা করেছে। আরো কিছু বিষয় আছে।

এদিকে জানা গেছে জায়েদকে চড় মারতে গিয়ে ওমর সানী বলতে থাকেন, তোরে (জায়েদ) না নিষেধ করছি, আমার বউরে (মৌসুমি) ডিস্টার্ব করবি না। কোনো ফাজলামি করবি না। অসম্মান করে কথা বলবি না।

ওমর সানীর কথা থেকেই স্পষ্ট জায়েদ খান সানীর স্ত্রী তথা নন্দিত চিত্রনায়িকা মৌসুমীর সঙ্গে বেয়াদবি করেছেন। তাকে অসম্মান করে কথা বলেছেন। আর সে কারণেই জায়েদকে চড় মেরেছেন তিনি।

যদিও গণমাধ্যমকে এই ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন জায়েদ খান। তিনি দাবি করেছেন, ডিপজলের ছেলের বিয়েতে তিনি পিস্তল নিয়ে যাননি। শিল্পী সমিতির পদকে ঘিরে এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।