মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চে শুনানি শেষে আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেওয়া হয়।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। তিনি বলেন, ২ হাজার কোটি টাকা পাচার মামলার মাস্টার মাইন্ড ছিলেন খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর। এমন মন্তব্য করে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
এর আগে, ২৪ মার্চ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবরের জামিন আবেদন করা হলে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক নজরুল ইসলাম। এরপর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন বাবর।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ২৬ জুন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ বাদী হয়ে রাজধানীর কাফরুল থানায় ২ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে মামলাটি করেন। ২০২১ সালের ৩ মার্চ সিএমএম আদালতে ১০ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) উত্তম কুমার সাহা।
একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েস। এতে ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে ফরিদপুরে এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরের কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক বনে যাওয়ার অভিযোগ করা হয় আসামিদের বিরুদ্ধে।
আসামিরা হলেন- ফরিদপুরের সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেল, খোন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, এএইচএম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, নাজমুল ইসলাম খন্দকার, মুহাম্মদ আলি মিনার, তারিকুল ইসলাম নাসিম, আসিবুর রহমান ফারহান, কামরুল হাসান ডেভিড। তাদের মধ্যে মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম নাসিম পলাতক। নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী ও আসিবুর রহমান ফারহান জামিনে আছেন।