তিনি বলেন, প্রতিদিনের বর্জ্য প্রতিদিন অপসারণ করা হচ্ছে। তাই কোরবানির বর্জ্য সরাতে ১২ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না।
মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে আয়োজিত ১৪তম কর্পোরেশন সভায় এ কথা বলেন তিনি।
মেয়র বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত লোকবল আছে। বর্জ্য অপসারণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বেশ কিছু ওয়ার্ডে কোরবানির জায়গাও নির্ধারণ হয়েছে।
সবার সহযোগিতা পেলে যথাসময়ে বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব উল্লেখ করে মেয়র আতিক এ কাজে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কাউন্সিলর ও সংশ্লিষ্ট বিভাগকে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘পশুর হাটে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রবেশ করতে হবে। মাস্ক ছাড়া কেউ হাটে প্রবেশ করতে পারবে না।
মেয়র বলেন, ছয়টি পশুর হাটে ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ স্থাপন করা হয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্টের সুযোগ থাকায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা খুব খুশি। নিরাপদ ও সহজ লেনদেন, তাৎক্ষণিক ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ, ২৪ ঘণ্টা ব্যাংকিং সুবিধা এবং ছিনতাই, মলম পার্টির খপ্পর থেকে রক্ষায় স্মার্ট হাট চমৎকার উদ্যোগ।
ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ: আমিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফুল ইসলাম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া, কাউন্সিলর ও ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।