অনলাইন ডেস্ক : রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভারে নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে সাবাব চৌধুরীর গাড়িচাপায় সেলিম ব্যাপারী নিহত হওয়ার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে।
নিহত সেলিম ব্যাপারীর পরিবারকে এককালীন ২০ লাখ টাকা ডিপোজিট ও মাসিক ২০ হাজার টাকা দেওয়ার শর্তে উভয়পক্ষ এ সমঝোতায় এসেছে।
নিহত সেলিম ব্যাপারীর বোন জামাই আব্দুল আলিম সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সেলিম দুই যুগের বেশি সময় ধরে নাওয়ার প্রোপার্টিজের গাড়িচালক হিসেবে চাকরি করে আসছিলেন। ওই রিয়েল স্টেট কোম্পানির এমডি ইমরান হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (২১ জুন) এমপির লোকজনের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা বৈঠক হয়। পরদিন শুক্রবার সেলিম ব্যাপারীর পরিবারকে তারা নগদ ২০ লাখ টাকা দিয়েছেন। সেলিমের স্ত্রী চায়না ব্যাপারীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলে ওই টাকা ব্যাংকে ডিপোজিট রাখা হবে।’
সেলিম ব্যাপারীর বোন জামাই আব্দুল আলিম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাতে এমপি সাহেবের লোকজন ইমরান স্যারের বারিধারার অফিসে আমার হাতে নগদ ২০ লাখ টাকা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এছাড়া সংসার চালানোর খরচ হিসেবে এমপির পরিবার প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা দিতে চেয়েছেন।’
এর আগে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর মহাখালীর জাহাঙ্গীর গেট সংলগ্ন ফ্লাইওভারে গাড়িচাপার ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর গাড়িটি দ্রুত এসে সংসদ ভবনের উল্টো দিকের ন্যাম ফ্ল্যাটে ঢুকে যায়। গাড়িটিকে অনুসরণ করেন একজন মোটরসাইকেল ও আরেকজন প্রাইভেটকার আরোহী। পরে ন্যাম ফ্ল্যাট ও এর আশপাশের সিকিউরিটি গার্ডরা জানান গাড়িটি নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করীম চৌধুরীর। এটি তার স্ত্রী ও নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার চেয়ারম্যান কামরুন্নাহার শিউলির নামে রেজিস্ট্রেশন করা। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে সাবাব চৌধুরী।