ছবি: সংগৃহীত

নিহতরা হলেন- রফিকুল ইসলাম (৫০) ও তার ছেলে মাইকুল ইসলাম (১৬)। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম (৪৫), বড় ছেলে সাদিকুল ইসলাম (২৫) তার মেয়ে সামিরা ইসলাম (২০)। 

পুলিশ জানায়, ওই পরিবার গত ১২ জুলাই ছেলে সাদিকুলকে চিকিৎসা করানোর জন্য বাংলাদেশে আসেন। তারা এক সপ্তাহ ঢাকায় চিকিৎসার জন্য অবস্থান করেন। পরে ১৮ জুলাই ওসমানীনগরের তাজভরি স্কুলরোডে একটি বাসা বহুতল ভবনের দোতলায় বাসা ভাড়া নেন।

সোমবার রাতে রফিকুলের পরিবারসহ তার শ্বশুর, শাশুড়ি, শ্যালক, শ্যালকের স্ত্রী ও ছেলেসহ ১০ জন তারা ঘুমিয়ে পড়ে। আরিফুলের পরিবারের পাঁচজন এক রুমেই ছিলেন। তারা সকালে ঘুম থেকে উঠছিলেন না। পরে সকাল ১০টার দিকে পুলিশে খবর দিলে তারা দুপুর ১২টার দিকে দরজা ভেঙে তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে। তাদেরকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে পাঠালে রফিকুল ও ছেলে মাইকুলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন আহমেদ সিপিএম (পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি)।

তিনি জানান, তারা বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রফিকুলের শ্বশুর, শাশুড়ি, শ্যালক ও শ্যালকের স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।