অনলাইন ডেস্ক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত দর্শন বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্রী ইশরাত জাহান এশার বিরুদ্ধে ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
আজ শুক্রবার বিকেলে আমাদের সময় অনলাইনকে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, তদন্তে এশা নির্দোষ প্রমাণিত হলে ‘প্রক্রিয়া অনুযায়ী’ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ১০ এপ্রিল গভীর রাতে ঢাবির সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সভাপতি এশার বিরুদ্ধে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী কয়েকজন ছাত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। ওই রাতে হলের এক ছাত্রীর পা কেটে যাওয়ার ঘটনায় বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রাতভর হলের ভিতরে ও বাইরে বিক্ষোভ করেন তারা।
ওই দিন দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইশরাতকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুধবার বহিষ্কার প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হবে।’
ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগে ওই রাতেই ছাত্রলীগ থেকে এশাকে বহিষ্কার করা হয়। যদিও আজ সকালে সেই বহিষ্কারাদেশ তুলে নিয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এর পর সকালে একটি গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এশা ছাত্রত্ব ‘ফিরে পাচ্ছেন’। পরে বিষয়টি নিয়ে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
এ সময় উপাচার্যের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এশার ছাত্রত্ব ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে এসেছেন কি না- জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাদের তো একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। আমি হলে তদন্ত করতে বলেছি। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পরে আমি বুঝব আসলে কী হয়েছে।’
উপাচার্য আরও বলেন, ‘এশাকে সাময়িক বহিস্কার করা হয়েছে, হলকে তদন্ত কমিটি গঠন করে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তীতে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’