অনলাইন ডেস্ক: অন্যান্য যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে মানুষ গণমাধ্যমকে বেশি বিশ্বাস করে। আর তাই সমাজে শান্তি ও সহনশীলতা উন্নয়নে গণমাধ্যমকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। তাইবর্তমান প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমে সহিংসতার উপস্থাপনে ভিন্নতা আনতে হবে।শান্তি ও সহনশীলতা উন্নয়নে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তারা একথা বলেন।
বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টি ইউএসএআইডি’র অবিরোধ: রোড টু টলারেন্স কর্মসূচির সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে। বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটে ৭ থেকে ৯ মার্চ তিনদিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন গণমাধ্যমের ২৫জন সাংবাদিক অংশ নিচ্ছেন। প্রশিক্ষণের উদ্বোধন পর্বের প্রধান অতিথি সাবেক প্রধান তথ্য কমিশনার ড. মো. গোলাম রহমান বলেন, সমাজে দ্বন্দ্ব-সংঘাত থাকবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এটি যেনো সহিংসতায় পরিণত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি। আর এখানেই গণমাধ্যমের কাজের জায়গা।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে গণমাধ্যমে সহিংসতার উপস্থাপনে ভিন্নতা আনতে হবে। পাঠক-দর্শকদের মনে অশান্তি ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে এমন কিছু প্রকাশ বা প্রচার করা উচিত নয়। চ্যানেল আইয়ের জ্যেষ্ঠ বার্তা সম্পাদক মীর মাসরুর জামান রনি বলেন, সমাজে গণমাধ্যমের গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে গণমাধ্যমকে শান্তি ও সহনশীলতা উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
সমষ্টির প্রশিক্ষকবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করছেন।