শনিবার (২৫ জুন) দুপুর ১২টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে এসব কথা বলেন উপাচার্য।
তিনি বলেন, পদ্মাসেতুর প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হবে। এ অঞ্চলের জনগণ পরিকল্পিত জনসম্পদে রূপান্তরিত হবে। কর্মসংস্থান ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ আবদান রাখবে। যা এ অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানকে উন্নতির দিকে ধাবিত করবে। আগামীতে দক্ষিণাঞ্চল হবে অন্যতম বাণিজ্যিক ও শিল্পনগরী।
উপাচার্য বলেন, পদ্মাসেতু বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধু কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৎ, সাহসী ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণে। সব বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরে এ দেশটি দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, আগামীতে এভাবেই এগিয়ে যাবে আরো বহুদূর। আমাদের মনে রাখতে হবে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই হচ্ছেন আমাদের একমাত্র ভরসার স্থল। উন্নয়নের মহাসড়ক পেড়িয়ে তিনিই জাতিকে নিয়ে যাবেন এক অনন্য উচ্চতায়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, পদ্মাসেতু আমাদের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের বাহন হিসেবে এরইমধ্যে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে। ২১টি জেলা ঘিরে ৬ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। পদ্মাসেতু আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না এই জায়গাটায় আমাদের আত্মমর্যাদায় দাঁড় করিয়েছে। এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত এবং আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি আজকে আমরা সেই মুক্তিযুদ্ধে স্বাধ অর্জন করেছি।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিনের সভাপতিত্বে আনন্দ শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, প্রভোস্ট, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, অফিসার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক হয়ে পুনরায় ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাপনী সভায় বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া। সভাটি পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ।