অভিযুক্ত আতাহার

বুধবার (২০ জুলাই) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মামলার সব তথ্য সাংবাদিকদের কাছে প্রেরণ করে এ তথ্য জানায় সিআইডি।

হত্যার শিকার বোনের নাম নারজু খাতুন (২৮)। তিনি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছিলেন। তার ভাই আতাহার সরদার। ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের মাসের ২৪ ডিসেম্বর। ঘটনার পরদিন আতাহারের ছেলে সবুজ বাদী হয়ে ফুফু হত্যার ঘটনায় প্রতিপক্ষের ৫-৬ জনের নামে মামলা দায়ের করেন। এরপরই নিবিড় তদন্তে নামে সিআইডি।

সিআইডির সিরাজগঞ্জ জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার মো. কামাল হোসেন জানান, মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি মো. সরোয়ার মোল্লা ওরফে সঞ্জু মোল্লাকে দীর্ঘদিনের চেষ্টার পর গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তার জবানবন্দিতে প্রকাশ পায়, প্রতিপক্ষ আওয়াল হত্যা মামলায় আসামি করা হয় আতাহারসহ তার সহযোগীদের।

এরই প্রেক্ষিতে প্রতিপক্ষরা আতাহার ও তার সহযোগীদের ঘর-বাড়ি ভাঙচুর, গরু-ছাগল ও মালামাল লুটপাট করে। এ ঘটনায় ভয়ে তারা দীর্ঘদিন যাবত বাড়িঘর ছাড়া হয় এবং অনেকেই জেলহাজতে ছিলেন। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণসহ প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য নিজেদের কাউকে হত্যা করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার পরিকল্পনা করে আতাহার ও তার সহযোগীরা।

এরই ধারাবাহিকতায় পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক ঘটনার দিন রাত আনুমানিক ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে এই মামলার বাদী পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। ওই সময় আতাহারের নির্দেশে নারজুকে তার বাড়ির পাশের ফাঁকা জায়গায় ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান আসামিরা।