গ্রেফতারকৃত আব্দুল মোতালেব ও সাথী আক্তার সুমি- ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ জানায়, গ্রেফতাররা পরিকল্পিতভাবে তাদের প্রকৃত নাম-ঠিকানা গোপন করে একেক বাড়িতে বাসা ভাড়া নিতেন। এরপর পাশের ফ্ল্যাটের লোকজনের সঙ্গে যৌথভাবে জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়সহ বিভিন্ন কৌশলে প্রথমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে সুযোগ বুঝে পাশের ফ্ল্যাটের স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।

শুক্রবার বিকেলে শাহ আলী থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে জেসমিন নামে একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় একটি প্রতারণার মামলা হয়। সেই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল মোতালেব ও সাথী আক্তার সুমিকে নারায়ণগঞ্জ ও রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। গ্রেফতারের পর জানা যায়, সাথী আক্তার সুমির প্রকৃত নাম দুলালী ও তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার পেশায় জড়িত।

ওসি জানান, গ্রেফতাররা প্রকৃত নাম-ঠিকানা গোপন করে একেক বাড়িতে বাসা ভাড়া নেয়। পরবর্তী সময়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে পাশের ফ্ল্যাটের লোকজনের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। এরপর যৌথভাবে জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়সহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে প্রথমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে এবং পরে সুযোগ বুঝে পাশের ফ্ল্যাটের স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরো জানান, গ্রেফতারদের তথ্যের ভিত্তিতে শাহ আলী থানায় অভিযোগকারীর চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ডিএমপিসহ বিভিন্ন থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে।