অনলাইন ডেস্ক: অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে রিয়ালের জয়ের অপেক্ষা বাড়ল। ঘরের মাঠে জয় খরা কাটল না লস ব্লাঙ্কোসদের। এরআগে ২০১২ সালে ঘরের মাঠে লা লিগায় সর্বশেষ ডিয়াগো সিমিওনের দলের বিপক্ষে জয় পায় রিয়াল। রিয়াল অবশ্য দাপট ধরে খেলেছে কিন্তু জয় পায়নি। এছাড়া রিয়াল প্রথমে গোল করে জয়ের কথা ভাবলেও চার মিনিটের বেশি লিড ধরে রাখতে দেয়নি অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।

তবে এক দিক থেকে সান্তিয়াগো ব্যার্নাব্যু’তে দু’দলের সমর্থকদের আশা পূরণ হয়েছে। মাদ্রিদের দুই দলের সেরা দুই তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং আঁতোয়ান গ্রিজম্যান গোল করেছেন। প্রথমার্ধ গোল শুন্য ড্র থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল পায় রিয়াল। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন দারুণ ফর্মে থাকা রোনালদো। কিন্তু ৫৭ মিনিটেই আঁতোয়ান গ্রিজম্যান গোল শোধ দিয়ে দেন। এরপর দু’দলই গোলের সুযোগ তৈরি করেছে কিন্তু জালে পাঠাতে পারেনি।

রিয়াল অবশ্য বলের দখল থেকে পাস কোন দিন থেকেই নগর প্রতিদ্বন্দ্বিকে ধারের কাছে ঘেসতে দেয়নি। পুরো ম্যাচে ৬৯ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রেখে খেলেছেন রিয়াল খেলোয়াড়রা। সেখানে অ্যাথলেটিকো বল পেয়েছে মাত্র ৩১ শতাংশ। পুরো ম্যাচে পাসের ফুল ফুটিয়েছে জিদানের শিষ্যরা। কিন্তু কাঙ্খিত গোলে দিয়ে জয়ের দেখা পায়নি জিনেদিন জিদানের দল।

ম্যাচের আগে ফুটবল বিশ্লেষকরা এটাকে রোনালদো বনাম ওব্লাক ম্যাচ বলে উল্লেখ করেন। মাঠেও ঠিক তেমনই প্রমাণ হয়েছে। রিয়াল শুরুতেই দারুণ কয়েকটি আক্রমণ করেছে কিন্তু ওব্লাক বাঁধা টপকাতে পারেনি তারা। ম্যাচের ১০ মিনিটে পরপর দুই শট নেন সিআরসেভেন। কিন্তু ওব্লাক একটি আটকে দেন অপরটি দারুণ ক্ষিপ্রতায় গোলবারের উপর দিয়ে পাঠান। এরপর ২৮ মিনিটে ঠেকার রাফায়েল ভারানের একটি দারুণ শট।

ম্যাচের ৪২ মিনিটে আবার রিয়ালের আক্রমণ। এবার আক্রমণ শানেন মার্সেলো। কিন্তু ওব্লাক দেয়াল পার করতে পারেননি তিনিও। দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল হয়ে গেলে অবশ্য আক্রমণের গতি কিছুটা কমে যায়। ৬০ মিনিটে রিয়ালের জালে গোল দেওয়ার দারুণ এক সুযোগ পায় অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। কিন্তু কোকের বল ঠেকিয়ে দেন কেইলর নাভাম। ৬৪ মিনিটে জিদান পতুর্গিজ তারকা রোনালদোকে তুলে বেনজেমাকে নামালে আক্রমণের গতি কমে যায়। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে দু’দল।