দর্পণ ডেস্ক : মরক্কোর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল কাতার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বাধা পেরোনোই। কিন্তু আশরাফ হাকিমি-হাকিম জিয়েচ-ইয়াসিন বুনুদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নতুন ইতিহাস গড়ে দ্য অ্যাটলাস লায়ন্সরা। আফ্রিকা ও আবর বিশ্বের প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলে মরক্কো। তবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে হেরে চতুর্থ হয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় ওয়ালিদ রেগরাগুইর দলকে।
নিজেদের ইতিহাসে সেরা অর্জন করায় মরক্কোর ফুটবলারদের বীরোচিত সংবর্ধনা দেন দেশটির জনগণ। রাজধানী রাবাতে ছাদখোলা বাসে শহর প্রদক্ষিণ করে দ্য অ্যাটলাস লায়ন্সরা। এ সময় দলের জার্সি পরে এবং পতাকা হাতে রাস্তার দুই পাশে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। তীব্র শীত উপেক্ষা করে রাবাতের রাস্তা ছাপিয়ে অলিগলিতে অবস্থান নেন অনেক সমর্থক। নিরাপত্তার কারণে অন্তত আট হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
কাতার বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলে বিশ্বকে চমকে দেয় মরক্কো। বিশ্বকাপে বেলজিয়াম-ক্রোয়েশিয়াকে পেছনে ফেলে এফ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হন আশরাফ হাকিমি-হাকিম জয়েচরা। রাউন্ড অব সিক্সটিনে স্পেন এবং শেষ ষোলোতে পর্তুগালকে বিদায় করে সেমিফাইনালে ওঠে মরক্কো। কিন্তু ফ্রান্সের কাছে তারা ২-০ গোলে হেরে যায় ।