জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিলেটে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচেও বড় রান তোলে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে লিটন দাস সেঞ্চুরি করেন। খেলেন ক্যারিয়ার সেরা ১২৬ রানের হার না মানা ইনিংস। দ্বিতীয় ম্যাচে তামিম খেলেন দেশসেরা এবং ক্যারিয়ার সেরা ১৫৮ রানের ইনিংস। কিন্তু শুরুর দুই ম্যাচেই তামিম ইকবাল এবং লিটন দাসের বড় জুটি হয়নি।

সিরিজের তৃতীয় এবং শেষ ম্যাচে দলের দুই ওপেনার ক্রিজে দাঁড়িয়ে গেলেন। দু’জনে ওপেনিংয়ে দেশের সবচেয়ে বড় রানের জুটির রেকর্ড গড়েছেন। ভেঙেছেন ২১ বছর আগে গড়া শাহরিয়ার হোসাইন এবং মেহেরাব হোসেনের গড়া রেকর্ড ওপেনিং জুটি। তারা ১৯৯৯ সালে  জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই গড়েছিলেন ১৭০ রানের জুটি। ওই ম্যাচে শাহরিয়ার হোসাইন খেলেন ৬৮ রানের ইনিংস। আর মেহরাব হোসাইন করেন ১০১ রান।

এর আগে তামিম-সৌম্য, ইমরুল-লিটনরা ওই রেকর্ড ভাঙার ইঙ্গিত দিলেও শেষ পর্যন্ত তা ভাঙতে পারেননি। ওপেনিংয়ে এর আগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫৮ রান ছিল আনামুল হক ও তামিম ইকবালের। ২০১৪ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে ওই রান তোলেন তারা। চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০১৫ সালে তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের ছিল ১৫৪ রানের জুটি।

এছাড়া পাকিস্তানের বিপক্ষে আনামুল-ইমরুল কায়েসের ১৫০ রানের জুটি, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে লিটন দাস-ইমরুল কায়েসের ১৪৮ রান ছিল ওপেনিংয়ে বড় জুটির অন্যতম। তামিম-ইমরুলের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৪৭ রানের জুটিটা আছে এর পরে। জিম্ববুয়ের বিপক্ষে তামিম-লিটনের এখন পর্যন্ত করা ১৮২ রানের জুটিতে ওপেনিংয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ এবং যেকোন উইকেটে বাংলাদেশের পঞ্চম সর্বোচ্চ রানের জুটি। তাদের সামনে সুযোগ আছে জুটিটা আরও ওপরে নিয়ে যাওয়ার।

কার্ডিফে ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাকিব আল হাসান ও মাহমুদুল্লাহ পঞ্চম উইকেটে দেশের হয়ে রেকর্ড ২২৫ রান তোলেন। ওটাই যেকোন উইকেটে দেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ২০১৮ সালে সৌম্য সরকার এবং ইমরুল কায়েস জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তোলেন ২২০ রান। তিনে আছে তামিম এবং সাকিবের গড়া একটি জুটি। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে দ্বিতীয় উইকেটে তারা ২০৭ রান যোগ করেন। এছাড়া গত বছরের জুনে বিশ্বকাপের আগের ত্রিদেশীয় সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাকিব এবং লিটন দাস চতুর্থ উইকেটে ১৮৯ রান যোগ করেন।